সংসারের দায়িত্ব
আমার দেহের বয়স আঠারো যখন,
মনের বয়স তার দ্বিগুণ।
আমার শখগুলোর কুঁড়ি ফুটেছিলো যখন,
আমার মাঝে তখন সংসার চালনার আগুন।
আকাঙ্খা
যে যায়, সে যায় যাক —
নিয়ে যায় যেন তার সব।
যে থাকে, যে রাখে —
এমনটা সবারই হোক।
টান
বেঁচে থাকার তাগিদ?
জীবনের প্রতি মায়া?
আমাকে তো মা ছাড়া আর কিছুই —
জীবনের প্রতি টানে না!
মা ছাড়া পৃথিবীর প্রতি আর কোন মোহ নেই।
তোমাদের খেলনা
জীবন চেয়ে দেখে,
প্রেমিকা কাব্যিক কতো।
কত ঝড় উপেক্ষা করে থাকে আমার পাশে।
প্রেমিকা চেয়ে দেখে,
ভাগ্য আমাদের সঙ্গে কি না।
জীবন আমাদের মিলিয়ে দেয় কি না!
কেউ কারো না!
জীবন এবং তুমি প্রায় একই।
আর আমি তোমাদের খেলনা।
কাঁটার প্রতি প্রেম
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
একদম অনেক বেশি!
তোমার কল্পনারও বাইরে!
কিন্তু তুমি কি জানো, তুমি একদম কাঁটার মতো?
যতো বেশি বুকে চেপে রাখবো,
ততো বেশি ব্যথাই শুধু পাবো।
আবার তুমি ঠিক ততোটাই ভেতরে থাকো,
যতোটা বিঁধে গেলে —
ব্যথা পাবার ভয়ে সেটাও টেনে বের করতে পারি না!
শূন্যতার প্রাপ্তি
তুমি তৃপ্ত চোখে আমাকে হেরে যেতে দেখেছো।
আমিও হেরেছি, হারিয়েছি, মুক্তি মিলে নি তবুও।
ঝুলে আছে গলায় তোমার মায়ার ফাঁসি।
আমার এই অভিশপ্ত শূন্যতাও প্রাপ্তি আছে।
এই যেমন ধরো, তুমি আছো সুখে।
তোমার রঙিন এক চিলতে হাসি।
অনুভূতি
অনুভূতি যেখানে সেখানে ছড়িয়ে রাখতে নেই।
অনুভূতি বড্ড দামি।
আবার মাঠে ছড়িয়ে থাকা শস্যের মতোই সহজলভ্য।
কারো অনুভূতি যেমন কারো কাছে মুক্তা।
যেন সে নীরবে অনুধাবন করে,
প্রত্যেকটি শব্দ থেকে পূর্ণ করে বাক্য।
আবার কেউ কেউ তা নিয়েই হাস্যরস করে।
যেন উড়ন্ত পাখিরা এসে অনায়াসে ঠুকরে নিচ্ছে শস্যদানা।
তুমি আর রামধনু
সাত রঙ সারি সারি মিশিয়ে —
দুঃখ দিয়েও তুমি কত রঙিন!
যেন রামধনু এঁকেছে আকাশে।
সদ্য বৃষ্টি, চোখের জল —
তৃপ্তি কত তার।
কাউকে কাঁদিয়েও কেউ রঙিন হয়।
তুমি আর রামধনু!
তোমাদের কত মিল।
Tags:
অনুকবিতা